অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টা, তার প্রেস সচিবসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা ব্যক্তিদের আচার-আচরণ, কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করলে সেখানে বিদেশি কর্পোরেট লবিস্টদের প্রভাব স্পষ্টভাবে পরিলক্ষিত হয়।
রোববার দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ভেরিফায়েড নয়।
তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর, করিডোর, সমরাস্ত্র কারখানা, অস্বচ্ছভাবে তড়িঘড়ি করে করা এলএনজি আমদানি চুক্তি, স্টারলিংক চুক্তিসহ নানা ইস্যুতে সংশ্লিষ্টদের দৌড়ঝাঁপ, চাপ প্রয়োগ, গোপনীয়তা রক্ষা এবং বিভ্রান্তিকর প্রচার—সবকিছুতেই কর্পোরেট স্বার্থরক্ষা ও বিদেশি লবির ছায়া দেখা যায়।”
সংস্কার কমিশন গঠন, রিপোর্ট তৈরি ও নানা সভাকে ‘লোকদেখানো সময়ক্ষেপণ’ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রয়োজনীয় অনেক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া যেত, যদি মনোযোগ জনস্বার্থে থাকতো। বাস্তবে তাদের আগ্রহ জনমুখী সংস্কারে নয়, বরং অন্যখানে।”
সবশেষে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “এভাবে দেশ চালানো যাবে না, এসব আর চলবে না।”

