স্টেডিয়াম নির্মাণে ব্যয় বৃদ্ধির খবর ‘অসত্য’: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

By বিশেষ প্রতিনিধি :

2 Min Read
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্প্রতি একটি পত্রিকায় স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির খবরকে ‘অসত্য’ বলে খণ্ডন করেছে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, আওয়ামী লীগ আমলে নেওয়া উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের সংস্করণ আগের প্রকল্পের তুলনায় উন্নত মানের এবং বিস্তৃত পরিসরের হওয়ায় ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ের ১৩১টি মিনি স্টেডিয়ামের গড় ব্যয় ছিল প্রায় ৫৩ লাখ টাকা, যা সরকারি খাসজমিতে সীমিত অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করেছিল। এতে ছিল একতলা প্যাভিলিয়ন, টয়লেট ব্লক, আরসিসি বেঞ্চ এবং মাঠ উন্নয়ন। বর্তমান দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্পে ১২৩টি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হচ্ছে, যেখানে জমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়ন ও বিস্তৃত অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত। অনুমোদিত গড় ব্যয় ১৪ থেকে ২০ কোটি টাকা, যা আগের প্রকল্পের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি।

অতিরিক্ত সচিব মো. ইকবাল হোসেন জানান, দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ ব্যয় প্রায় ৩৩৮ কোটি ১১ লাখ টাকা। এছাড়া রয়েছে তিনতলা প্যাভিলিয়ন (৭০’ x ৪০’), পাঁচ ধাপ বিশিষ্ট ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্যের সাধারণ গ্যালারি (এক হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা), সীমানা প্রাচীর, ড্রেনেজ, সংযোগ সড়ক, সোলার প্যানেল এবং চেয়ার সরবরাহসহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা। এটি প্রথম পর্যায়ের ডিজাইন ও বাজেট কাঠামোর সঙ্গে তুলনামূলকভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে ‘উপজেলা পর্যায়ে মিনি স্টেডিয়াম’ রাখে। প্রকল্পের ব্যয় নির্ধারণ এবং অনুমোদন হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের ২১ মে অনুষ্ঠিত প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ অনুযায়ী। এছাড়া, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক এবং বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত ব্যয় পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই ব্যয়ের যৌক্তিকতা যাচাই করে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ইকবাল হোসেন বলেন, ব্যয় বৃদ্ধির মূল কারণ হলো—জমি অধিগ্রহণ, অবকাঠামোর বিস্তার, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, ড্রেনেজ সিস্টেম সংযোজন, গ্যালারি নির্মাণ, সোলার প্যানেল সংযোজন এবং পিডাব্লিউডির ২০১৮ সালের রেট সিডিউলের পরিবর্তে ২০২২ সালের রেট সিডিউল অনুযায়ী মূল্য নির্ধারণ।

newsnextbd20
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *