নড়াইল-১ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মুন্সী আসাবুর রহমান আরাফাত

নিজস্ব প্রতিবেদক :

3 Min Read
মুন্সী আসাবুর রহমান আরাফাত

নড়াইল-১ আসনে বিএনপির তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করতে এগিয়ে এসেছেন মুন্সী আসাবুর রহমান আরাফাত। রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা আরাফাত ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী এবং সক্রিয় সংগঠক। বর্তমানে তিনি নড়াইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও আরাফাত রহমান স্মৃতি সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক। সুখে-দুঃখে, দুর্দিনে মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাঁর জীবনের মূল লক্ষ্য। জনগণের সেবা তাঁর রক্তে মিশে আছে, যা পারিবারিক ঐতিহ্য হিসেবেই বহন করছেন তিনি।

আরাফাতের বাবা দানবীর মুন্সি লাল মিয়া নড়াইলের মানুষের কাছে ছিলেন এক কিংবদন্তি। তিনি তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান এবং একবার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি নড়াইলের অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং এলাকার উন্নয়নে রেখেছেন অবিস্মরণীয় ভূমিকা। তাঁর মানবিক কাজ ও দানশীলতার জন্য নড়াইলবাসী তাঁকে ভালোবেসে “দানবীর লাল মিয়া মুন্সি” নামে ডাকতেন।

এই পরিবারে নেতৃত্ব ও জনসেবার ঐতিহ্য বহু পুরনো। স্বাধীনতার আগে আরাফাতের চাচা জনাব আব্দুল হাকিম ছিলেন পাকিস্তান সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রী ও জাতীয় পরিষদের স্পিকার। আরেক চাচা মুন্সি মোজাহের উদ্দিন ছিলেন ব্রিটিশ আমলের যশোর বোর্ডের টানা ৪৫ বছরের চেয়ারম্যান। মুন্সি নুরুল হক, পরিবারের আরেক সদস্য, দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে খাশিয়াল ও কোটাকোল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন।

এই জনসেবামূলক উত্তরাধিকারের ধারায় বেড়ে ওঠা আরাফাত ছাত্রজীবন থেকেই জড়িয়ে পড়েন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে। বর্তমানে তিনি নড়াইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আরাফাত রহমান স্মৃতি সংসদ নড়াইল জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি মুন্সি লাল মিয়া স্মৃতি সংসদের মহাসচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০১৪ সালে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনে ১৮-দলীয় ছাত্র ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্কুল জীবন থেকেই তাঁর নেতৃত্বগুণ ছিল স্পষ্ট—বন্ধুদের নিয়ে মিছিল, মিটিং ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করতেন নিয়মিত। কলেজ জীবনে তিনি নির্বাচিত হন ইয়ার কমিটির সভাপতি।

রাজনীতির পাশাপাশি মুন্সি আসাবুর রহমান আরাফাত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান যখন তরুণ নেতৃত্বকে রাজনীতিতে প্রাধান্য দিচ্ছেন, তখন বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুপ্রেরণায় আরাফাত নড়াইল-১ আসন থেকে মনোনয়ন কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ক্লিন ইমেজ, শিক্ষিত ব্যাকগ্রাউন্ড ও জনগণের আস্থায় তিনি হতে পারেন নড়াইল-১ আসনের আগামী দিনের চমক।

রাজনীতিতে আসার অনুপ্রেরণা প্রসঙ্গে আরাফাত বলেন, “আমার বড় ভাই এডভোকেট মুন্সি আনিছুর রহমান উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তাঁর অনুপ্রেরণা ও আদর্শেই আমি ছোটবেলা থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে উঠি। এখন তিনি যশোর জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)।”

newsnextbd20
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *