নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবকে ‘সামর্থ্যের মধ্যে জনপ্রত্যাশা পূরণে আধাআধি প্রচেষ্টা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, বাজেট বাস্তবায়নের প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে বিশাল ঘাটতি পূরণ এবং পর্যাপ্ত রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করা।
সাইফুল হক বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ঘোষিত প্রবৃদ্ধির সুফল সাধারণ মানুষের জীবনে প্রতিফলিত হবে না। একই সঙ্গে বিনা প্রশ্নে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখাকে তিনি অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়নকে উৎসাহিত করার শামিল বলে মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নানা অংশকে তুষ্ট করার চেষ্টা থাকলেও বড় অঙ্কের ঘাটতি শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়লে অর্থনীতিতে চাপ আরও বাড়তে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য নিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত রাজস্ব আদায় সরকারের দক্ষতা, করজাল সম্প্রসারণ এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করবে। এই লক্ষ্য অর্জন কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।
প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে তিনি বলেন, ৬ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবসম্মত হলেও ৭ দশমিক ৫ শতাংশে মূল্যস্ফীতি নামিয়ে আনা গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগে প্রণোদনা এবং বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ ছাড়া কর্মসংস্থান বাড়ানো সম্ভব নয়।
তিনি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান এবং কৃষি ও শিল্প খাতে অধিক বিনিয়োগের আহ্বান করেন। পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে ইতিবাচক উল্লেখ করলেও দারিদ্র্য বিমোচনে আরও কার্যকর উৎপাদনমুখী উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
