প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে ‘গণবিরোধী ও লুটপাটের বাজেট’ আখ্যা দিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণার পর সন্ধ্যায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে আয়োজিত সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর প্রদক্ষিণ করে।
সমাবেশে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বাজেটে জনগণের ওপর করের বোঝা বাড়ানো হয়েছে এবং এটি ‘ধনীবান্ধব’ বাজেট হিসেবে প্রণয়ন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রস্তাবিত বাজেট মূলত ঋণনির্ভর এবং পুরোনো অর্থনৈতিক কাঠামোর প্রতিফলন।
তিনি বলেন, প্রায় সাড়ে ৯ লাখ কোটি টাকার বাজেটের বড় অংশই পরিচালন ব্যয়ে ব্যয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও এনবিআরের ওপর বড় চাপ সৃষ্টি হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
হামিদুর রহমান আরও বলেন, ঘাটতি মেটাতে বিপুল অঙ্কের ব্যাংক ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা অর্থনীতিতে চাপ তৈরি করবে এবং সাধারণ মানুষের ওপর পরোক্ষ করের বোঝা বাড়বে।
সমাবেশে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল বলেন, এই বাজেটের মাধ্যমে ‘দলীয় ব্যবসায়ী ও সুবিধাভোগীরাই লাভবান হবে’।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগরের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন। এতে স্থানীয় নেতারাও বক্তব্য দেন।
একই দিনে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতে ইসলামী বাড্ডায় পৃথক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করে বাজেট প্রত্যাখ্যান করে। সভায় মহানগর নেতারা বাজেটকে জনস্বার্থবিরোধী বলে অভিহিত করেন।
