নাটোর শহরের মাদ্রাসা মোড়ে নিজ প্রতিষ্ঠিত জনসেবা হাসপাতালের শয়নকক্ষ থেকে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে জেলা বিএমএ ও ড্যাবের আহ্বায়ক, বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল-ক্লিনিক মালিক সমিতির সভাপতি ডা. আমিরুল ইসলামকে (৬৬)।
সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে পুলিশ হাসপাতালের তৃতীয় তলায় তার মরদেহ উদ্ধার করে। ডা. আমিরুল ইসলাম সিংড়া উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান আলীর ছেলে। একমাত্র কন্যা চিকিৎসক, যিনি ঢাকায় বসবাস করেন। স্ত্রীও মেয়ের সঙ্গেই থাকেন। তবে ডা. আমিরুল ইসলাম নাটোর শহরের এই হাসপাতালেই থেকে চিকিৎসাসেবা দিতেন।
তার ভাই ও হাসপাতালের ব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম জানান, রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত তিনি রোগী দেখেন এবং ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। রাতেই কর্মচারীদের বলেন, সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে যেন তাকে ডেকে দেওয়া হয়, কারণ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তার। সকাল ১০টার পর ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে বেলা ১১টার দিকে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, তিনি বিছানায় গলাকাটা অবস্থায় পড়ে আছেন।
পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সিআইডি ও পিবিআইও আলামত সংগ্রহ করেছে। পুলিশের ধারণা, আগেই কেউ কক্ষে প্রবেশ করে লুকিয়ে ছিল এবং গভীর রাতে তাকে হত্যা করে দরজা আটকে চলে যায়।
নাটোরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, “প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে, তিনি ঘুমন্ত অবস্থায় নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে, এমনকি তার শরীরের একটি অঙ্গ কেটে নেওয়া হয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামিদের শনাক্তে কাজ চলছে।

