এনএসআইয়ের ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধানে মাঠে নামল দুদক

নিউজনেক্সট অনলাইন :

2 Min Read

ঘুষ, চাঁদাবাজি, আর্থিক অনিয়ম, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, মানিলন্ডারিং এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) ১৩ পদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতোমধ্যে, তাদের সম্পদ যাচাই-বাছাই করতে দুদকের ১৩ জন কর্মকর্তাকে নিযুক্ত করা হয়েছে।

রোববার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সম্প্রতি এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দুদকে জমা পড়ে। গোপন অনুসন্ধান পরিচালনা করে তাদের বিরুদ্ধে আমলযোগ্য তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে, এরপর কমিশনের নির্দেশনায় অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মানের অর্থ পাচার ও দুর্নীতির এসব অভিযোগের মধ্যে, ১৩ জন কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন তিনজন অতিরিক্ত পরিচালক, ছয়জন যুগ্ম পরিচালক এবং চারজন উপ-পরিচালক।

এনএসআইয়ের তিন অতিরিক্ত পরিচালককে নিয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে। মো. আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, মানিলন্ডারিং এবং নিজ ও স্ত্রীর নামে অস্বচ্ছ উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে। এম এস কে শাহীনের বিরুদ্ধে রয়েছে ঘুষ, চাঁদাবাজি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার, আর মোহাম্মদ জহীর উদ্দিনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

জন্ম পরিচিত ছয় যুগ্ম পরিচালকের মধ্যে মো. ইসমাইল হোসেন, এফ এম আকবর হোসেন, মো. নাজমুল হক ও বদরুল আহমেদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে জি এম রাসেল রানার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও মানিলন্ডারিং এবং শেখ শাফিনুল হকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বজনদের নামে অস্বচ্ছ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তদন্ত হচ্ছে।

চারজন উপ-পরিচালকের মধ্যে কামরুল হাসানকে নিয়ে ঘুষ, দুর্নীতি, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ এবং আমিনুল হক ও শেখ খাইরুল বাসারের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। জহরলাল জয়ধরের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও অস্বচ্ছ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

এই অভিযোগগুলোর অনুসন্ধান করছেন দুদকের বিভিন্ন কর্মকর্তা, যার মধ্যে রয়েছেন উপ-পরিচালক মো. ইয়াছির আরাফাত, মো. আহসান উদ্দিন, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পরিচালক এস. এম. মামুনুর রশীদ, বিলকিস আক্তার, মো. সেলিম মিয়া, মাহমুদুল হাসান, উপ-সহকারী পরিচালক জালাল উদ্দিন, মো. সজীব আহমেদ, হাফিজুর রহমান এবং মো. আবুল ফয়েজ।

এখনো পর্যন্ত, দুদক এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আরও প্রমাণ সংগ্রহ করতে কাজ করছে এবং শিগগিরই তদন্তের ফলাফল ঘোষণা করবে বলে জানানো হয়েছে।

newsnextbd20
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *