গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি ও পলাশবাড়ী–সাদুল্লাপুর আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক স্থানীয় রাজনীতিতে একজন কর্মীবান্ধব, সৎ, জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ তিন দশকের রাজনৈতিক জীবনে জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে জেল-জুলুম, হামলা-মামলা মোকাবিলা করে আজও তিনি মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল এখনও ঘোষিত না হলেও এলাকায় শুরু হয়েছে নির্বাচনী আমেজ। সম্ভাব্য প্রার্থীদের পাশাপাশি ভোটারদের মাঝেও চলছে আলোচনা।
এ আসনে বিএনপির হয়ে ডা. মইনুল হাসান সাদিকের মনোনয়ন প্রত্যাশা ইতিমধ্যে ভোটারদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।
তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, নির্বাচিত হলে প্রিয় পলাশবাড়ী–সাদুল্লাপুরকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত করে একটি শান্তিপূর্ণ এলাকা গড়ে তুলবেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা সাধারণ মানুষের মাঝে প্রচার করছেন তিনি। পাশাপাশি গণসংযোগের মাধ্যমে তরুণ ভোটারদেরকেও নতুনভাবে রাজনীতির মূলধারায় যুক্ত করছেন। চিকিৎসক হিসেবে ডা. সাদিক দীর্ঘদিন ধরে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন।
করোনাকালে নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে স্থানীয়দের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করেছেন। শীতবস্ত্র বিতরণ, বন্যার্তদের সহায়তা, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান, খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চায় তরুণদের উৎসাহিত করা—এসব কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন।
নিজ দলের নেতাকর্মীদের আইনি সহায়তা ও দুঃসময়ে পাশে থাকার জন্যও তিনি প্রশংসিত। এমনকি সাদুল্লাপুরে নিজের একটি বাড়ি দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের কারণে ২০২৪ সালে সেটি হামলা ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়।
স্থানীয়দের মতে, নিঃস্বার্থ আন্দোলন-সংগ্রাম এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডা. মইনুল হাসান সাদিক শক্ত অবস্থানে থাকবেন।
নিজ নির্বাচনী অঙ্গীকারে তিনি বলেন, “নির্বাচনের সুযোগ মিললেই বিএনপির বিজয় এ আসনে সুনিশ্চিত। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের নির্বাচন। তরুণ ভোটাররা এবার সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে বেছে নেবেন। বিএনপি জনগণের দল, জনগণের অধিকার আদায়ের জন্য আমরা ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট নির্যাতন সহ্য করেছি। এবার প্রতিরোধ হবে ব্যালটের মাধ্যমে।”
