তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করা সম্ভব হয়নি। দেশের সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্র, গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর পারস্পরিক সহযোগিতা অটুট রয়েছে। এর সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর চাপও যুক্ত হওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে অনেক কিছু করা সম্ভব হয়নি।
রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যমের স্বনিয়ন্ত্রণ ও অভিযোগ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপি ও জামায়াত প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন খাতে নিজেদের ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছে। গণমাধ্যমকে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে, তবে এটি নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও ঐকমত্যের ওপর।
মাহফুজ আলম আরও বলেন,
আমলারা এখন পরবর্তী সরকারের অপেক্ষায়, আর আমি অপেক্ষায় আছি কবে সরে যাব। যে কোনো সময় দায়িত্ব ছেড়ে দিতে পারি, তাই পদত্যাগের দাবি করে কোনো লাভ নেই। আমি খুব অল্প সময়ের জন্য দায়িত্ব নিয়েছি, স্বল্প সময়ের মধ্যেই যা সম্ভব তাই করছি। আমাদের বয়স ও অভিজ্ঞতা কম এজন্য জনগণ নিশ্চয়ই ক্ষমা করবেন।
তিনি জানান, সাংবাদিকতা সুরক্ষা আইন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং এই সময়ে তা যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে—বাংলাদেশে সবাই গোষ্ঠীস্বার্থে কাজ করে, জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেয় না। এ কারণে হতাশা তৈরি হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ। সিজিএস প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
