ফ্রান্সে রাজনৈতিক অস্থিরতা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া বায়রুর আস্থাভোটে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে। সোমবার পার্লামেন্টে অনুষ্ঠিত ভোটে এমপিদের ৩৬৪-১৯৪ ব্যবধানে হেরে যান তিনি। ফলে মাত্র নয় মাস আগে দায়িত্ব নেওয়া ৭৪ বছর বয়সী বায়রুকে এখন পদত্যাগ করতে হবে।
দুই বছরেরও কম সময়ে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁর সামনে আবারও নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের চ্যালেঞ্জ এসেছে।
তিনি চাইলে তার মধ্যপন্থি সংখ্যালঘু জোট থেকে কাউকে বেছে নিতে পারেন অথবা কনজারভেটিভদের দিকেও ঝুঁকতে পারেন। না হলে তাকে আগাম নির্বাচনের ডাক দিতে হতে পারে। বাজেট ঘাটতি মোকাবিলা ও সরকারি ব্যয় সংকোচনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমর্থন আদায়ের উদ্দেশ্যে বায়রু আকস্মিকভাবে আস্থাভোট আহ্বান করেছিলেন।
তবে বিরোধী দলগুলো আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে তারা কোনোভাবেই সমর্থন দেবে না। শেষ পর্যন্ত সেটিই বাস্তব হয়েছে। বিরোধী গ্রিন পার্টির নেতা মন্তব্য করেছেন, বায়রুর ক্ষমতাচ্যুতি দেশকে স্বস্তি দিতে পারে। কট্টর ডানপন্থি ন্যাশনাল র্যালির নেতা মারিন ল্য পেন আগাম নির্বাচনের দাবি তুলেছেন।
অন্যদিকে বামপন্থি এক দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী বায়রু এবং প্রেসিডেন্ট মাক্রোঁ—দুজনকেই ফ্রান্সের জন্য বিপদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এলিসি প্রাসাদ জানিয়েছে, কয়েক দিনের মধ্যেই মাক্রোঁ নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন। তবে তার জন্যও বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে বাজেট পাস করা—যা ব্যর্থতার কারণে বায়রুকেও পদত্যাগের মুখে পড়তে হয়েছে।
