আগামীকাল শনিবার, ৭ জুন (১০ জিলহজ), দেশজুড়ে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। সকাল সাড়ে ৭টায় এই জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত সরিয়ে নেওয়া হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে, সকাল ৮টায়।
জাতীয় ঈদগাহ মাঠে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক শাহজাহান মিয়া জানান, ঈদগাহের নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেন, “নিরাপত্তার স্বার্থে কোনো ডিভাইস, ধারালো বস্তু, পানি বোতল কিংবা জায়নামাজ সঙ্গে আনবেন না।”
বায়তুল মোকাররমে ৫টি ঈদ জামাত :
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঈদ উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে মোট পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে:
প্রথম জামাত: সকাল ৭টা, ইমাম: মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী
দ্বিতীয় জামাত: সকাল ৮টা, ইমাম: মাওলানা আবু সালেহ পাটোয়ারী
তৃতীয় জামাত: সকাল ৯টা, ইমাম: মুশতাক আহমদ
চতুর্থ জামাত: সকাল ১০টা, ইমাম: মুফতি মো. আব্দুল্লাহ
পঞ্চম জামাত: সকাল ১০টা ৪৫ মিনিট, ইমাম: মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন
বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য জামাত :
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে ঈদের দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য হল ও প্রাঙ্গণে সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে জামাতের আয়োজন রয়েছে।
এছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন ঈদগাহ ময়দান ও প্রায় দেড় হাজার মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার :
জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম এবং আশপাশের এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। ঈদের দিন রাজধানীর নিরাপত্তায় দিন-রাত ৫০০ পেট্রল টিম মোতায়েন থাকবে। নিরাপত্তার স্বার্থে ঈদগাহে ধারালো বস্তু বা সন্দেহজনক কিছু সঙ্গে আনা নিষিদ্ধ থাকবে।
