আইপিএল ইস্যু ঘিরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না এবং ভারতের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই সব ধরনের বাণিজ্য কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
রোববার সচিবালয়ে নতুন আমদানি নীতি আদেশ নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ উদার বাণিজ্যনীতিতে বিশ্বাসী। বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে দেশের বাণিজ্য কার্যক্রম উন্মুক্ত রয়েছে। অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত না হলে দেশভিত্তিক কোনো দ্বিপাক্ষিক সীমাবদ্ধতামূলক সিদ্ধান্ত নেওয়ার নীতি নেই বলেও জানান তিনি। সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ মুক্ত ও উদার বাণিজ্য ব্যবস্থাকেই গুরুত্ব দেয়।
তিনি আরও জানান, ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান বিভিন্ন ট্রেড মেজারের বাস্তব প্রভাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং এসব ব্যবস্থার ফলে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা পর্যবেক্ষণে রয়েছে সরকার।
এ সময় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, দৈনন্দিন রাজনৈতিক বা সাময়িক ঘটনাগুলো সাধারণত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে না। তবে তিনি উল্লেখ করেন, গত মে মাসে ভারত কয়েকটি স্থলবন্দর বন্ধ করে দেওয়ায় বাংলাদেশ থেকে ভারতের উদ্দেশ্যে রপ্তানি কিছুটা কমে যায়। এরপরও বাংলাদেশ কোনো প্রতিক্রিয়ামূলক বা পাল্টা ব্যবস্থা নেয়নি।
ভারতে পাট রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বাণিজ্য সচিব বলেন, এটি সম্পূর্ণভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও সরবরাহ ব্যবস্থার ভারসাম্য রক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, সরকারের সব বাণিজ্যনীতি ও সিদ্ধান্ত দেশের অভ্যন্তরীণ স্বার্থকে কেন্দ্র করেই নেওয়া হয়, কোনো দেশকে লক্ষ্য করে বা ক্ষতি করার জন্য নয়।
