শনিবার বিমান ও সমুদ্রপথে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ শীর্ষ সামরিক-বেসামরিক নেতৃত্বকে লক্ষ্যে পরিণত করা হচ্ছে। যদিও ইতিমধ্যে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করেছেন সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন খামেনি ও পেজেশকিয়ান।
তবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নেতার বাসভবন ও আশপাশের বিভিন্ন স্থাপনা। দক্ষিণে হরমোজগান প্রদেশের মিনাবে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে কমপক্ষে ৮৫ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ।
দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আলি ফরহাদি বলেন, শনিবার স্কুলটিতে ‘তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র’ আঘাত হানে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে রাজধানী তেহরানের পূর্বাঞ্চলে আরেকটি স্কুলে হামলায় অন্তত দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন বলে মেহর বার্তা সংস্থা জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বলছে তারা কেবল সামরিক স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে এবং ইরানের সরকারকে লক্ষ্য করছে, জনগণকে নয়। তবে ইতিমধ্যে বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে শুরু করেছে। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ১২ দিনের যুদ্ধে হাজারও বেসামরিক নাগরিক হতাহত হন এবং বহু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সাম্প্রতিক এই হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলার ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান।
তবে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। সূত্র: আল-জাজিরা
