সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বুধবার নিজের ও পরিবারের ব্যাংক হিসাব প্রকাশ করেছেন। রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ জানান, তার বাবার পাঁচটি ব্যাংক একাউন্টে মোট ক্রেডিট আছে ৫,৪৭,৭১১ টাকা। বাবার ১০ লাখ টাকার সার্ভিস লোন থাকলেও এখনো বাকি আছে ৬,৩৯,৭৪৬ টাকা, যার ফলে বাবার নেট দেনা দাঁড়ায় ৮২,০৩৫ টাকা। তার মায়ের একাউন্টে ২১,১৫৪ টাকা, এবং স্ত্রীর একাউন্টে ৬১৪ টাকা রয়েছে।
নিজের ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি বলেন, তার দুটি একাউন্ট রয়েছে। সোনালী ব্যাংকে থাকা সেভিংস একাউন্টে ৯,৯৩০ টাকা আছে। মূল স্যালারি একাউন্টে, যেখানে সরকারে থাকা অবস্থায় বেতন ও ভাতা লেনদেন হত, এখন ৯,৭৮,৬২৬ টাকা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, তার এই একাউন্টে মোট ক্রেডিট হয়েছে ৮৫,৮১,০০০ টাকা, এবং মোট ডেবিট হয়েছে ৭৬,০৩,০০০ টাকা। দুই একাউন্ট মিলিয়ে তার কাছে এখন ৯,৭৮,৫৫৬ টাকা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ টাকা বেতন, ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা বিদেশ সফরের ভাতা এবং অন্যান্য সরকারি ভাতা রয়েছে। সব লেনদেন সরাসরি সরকারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হয়েছে, কোনো বাইরের উৎস থেকে টাকা আসেনি।
আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেছেন, ৫৬ জনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। ব্যাংকগুলোর নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, এই তথ্য গোপনীয়ভাবে বাংলাদেশ ফাইনান্স ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের কাছে পাঠাতে হবে। কিন্তু বিএফইউ এটি নিজেদের সাংবাদিক গ্রুপে প্রকাশ করেছে। তিনি বলেন, এটি একজন নাগরিক হিসেবে তার প্রাইভেসি লঙ্ঘন।
একই সঙ্গে আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেছেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে তার মেয়র প্রার্থী হওয়ার কারণে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে।
