স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দেশের শতভাগ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে। ইতিমধ্যে টিকাদান কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর শ্যামলীতে টিবি হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তায় জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জন্য জিনএক্সপার্ট কার্টিজ ও শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
টিকাদানের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৬১ শতাংশ শিশু ইতোমধ্যে টিকার আওতায় এসেছে। অনেক এলাকায় শতভাগ কভারেজ অর্জিত হয়েছে। যেখানে আগে টিকাদান শুরু হয়েছিল, সেসব উপজেলায় এখন আর হামের রোগী নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
হামের বিস্তার সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, গত ছয় বছর শিশুদের নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি ছিল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার জরুরি ভিত্তিতে উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইউনিসেফ, গ্যাভি, বিশ্বব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারত।
টিকাদান কার্যক্রম এগিয়ে আনার প্রসঙ্গে তিনি জানান, আগামী মাসের ৫ তারিখে দেশব্যাপী টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা ১৪ দিন এগিয়ে এনে ২০ এপ্রিল থেকেই কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ এবং ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব সরঞ্জাম যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশে টিকা ও সিরিঞ্জের কোনো সংকট নেই। আগামীকাল থেকেই এসব উপকরণ দেশের সব টিকাকেন্দ্রে পৌঁছে যাবে।
