আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে প্রাথমিকভাবে ১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে আরও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীতে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি সারজিস আলম।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য দলের কাছে এক হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। সেখান থেকে প্রথম ধাপে ১০০ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ২০ মে দ্বিতীয় ধাপে আরও প্রায় ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।
সারজিস আলম বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিরাও এনসিপির হয়ে নির্বাচন করতে পারবেন। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদ, দমন-পীড়ন বা অপরাধে সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকা যাবে না।
সংবাদ সম্মেলনে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানান। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত নির্বাচনের কোনো স্পষ্ট রূপরেখা বা সময়সীমা পাওয়া যায়নি। ধাপে ধাপে নির্বাচন হলে কোন পর্যায়ের ভোট কবে হবে, তা দ্রুত জানানো উচিত।
প্রশাসকদের নির্বাচন অংশগ্রহণ নিয়েও আপত্তি তোলে এনসিপি। আসিফ মাহমুদ বলেন, যাঁরা প্রশাসকের দায়িত্বে রয়েছেন, তাঁরা একই পদে থেকে নির্বাচনে অংশ নিলে সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে না এবং নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি উপজেলা ও পৌরসভার প্রার্থীর নামও ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে সাভার উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে সালামত উল্লাহ রনি, সোনারগাঁও উপজেলায় মো. তুহিন মাহমুদ, টাঙ্গাইল পৌরসভায় মাসুদুর রহমান রাসেল এবং ফরিদপুর পৌরসভায় সাইফ খাঁনের নাম রয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় জোবাইরুল আলম মানিক, কক্সবাজার সদর উপজেলায় শফিকুল ইসলাম শফিক, বগুড়া সদর উপজেলায় এ এম জেড শাহরিয়ার, সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় মো. জাকারিয়া (লাদেন) এবং রংপুর সদর উপজেলায় কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণকে প্রার্থী করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
