৬ দিনের বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন তিনি। চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে।
শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রধানমন্ত্রী দেশে পৌঁছান বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে। এর আগে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে বেইজিং দাসিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমানকে বিদায় জানান চীনের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউয়ে শিয়াওইয়ং।
সফরের শুরুতে গত ২১ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়া যান প্রধানমন্ত্রী। পরে সোমবার রাতে সেখান থেকে চীনের দালিয়ানে যান তিনি।
চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে অংশ নেওয়ার পর বুধবার উচ্চগতির ট্রেনে বেইজিংয়ে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তিনি। পাশাপাশি ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং একটি বিনিয়োগ সম্মেলনেও অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে দুই দেশের মধ্যে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। শুক্রবার বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের মধ্যে ১৩টি বাংলাদেশ ও চীনের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে, তিনটি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এবং একটি বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সই হয়েছে।
মাহদী আমিনের ভাষ্য, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনার ধারাবাহিকতায় এসব সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে।
