জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপনে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও মাঠ প্রশাসনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের প্রস্তুতি নিতে সম্প্রতি একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে। গত ৩ মে অনুষ্ঠিত ওই সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে বলা হয়, কেন্দ্র থেকে মাঠ প্রশাসন পর্যন্ত সমন্বিতভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ কার্যক্রমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকেও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।
কার্যবিবরণী অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও সমন্বিতভাবে দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতের মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে এ কর্মসূচিতে যুক্ত করা হয়েছে। এতে জাতীয় কর্মসূচির পাশাপাশি খাতভিত্তিক বিশেষ আয়োজনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ–সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনকেও দিবসটির কর্মসূচিতে অংশ নিতে অবহিত করা হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব জনগণের কাছে তুলে ধরাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
