বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধানসহ বিভিন্ন পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। হাইকোর্টে জটিলতা সৃষ্টি হলেও আপিল বিভাগের নির্দেশনায় পরীক্ষা আয়োজনের পথ সুগম হয়েছে।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) জানিয়েছে, রাজধানীর নয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমসিকিউ পদ্ধতিতে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। এতে প্রায় ৫৩ হাজার প্রার্থী অংশ নেবেন।
সংস্থাটির আইন ও সমন্বয় শাখার সহকারী পরিচালক লুৎফর রহমান জানান, পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ীই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে সংশোধিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১১৪ জন আবেদনকারী হাইকোর্টে রিট করেন। এ প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট দুই মাসের জন্য পরীক্ষা স্থগিতের আদেশ দিলেও পরে আপিল বিভাগ সেই আদেশ স্থগিত করে। ফলে পরীক্ষা আয়োজনের আর কোনো বাধা নেই।
এবারই প্রথমবারের মতো এনটিআরসিএর মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।
নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত অংশে ৮০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণরা ৮ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেবেন এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে থাকবে অতিরিক্ত ১২ নম্বর।
শুরুতে ১২ হাজার ৯৫১টি পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে শূন্যপদের সংখ্যা কমিয়ে ৬০৮টিতে আনা হয়। নতুন বিধান অনুযায়ী এসব পদে আবেদন করতে ন্যূনতম ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এনটিআরসিএ জানায়, প্রার্থীরা তাদের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে প্রিন্ট নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। পরীক্ষাকেন্দ্রের তথ্য প্রবেশপত্রেই উল্লেখ রয়েছে।
