মান পরীক্ষায় ব্যর্থ ৮ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক :

2 Min Read

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় চার প্রতিষ্ঠানের আটটি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে। পরীক্ষায় এসব পণ্যে নির্ধারিত মানের ব্যত্যয়, অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভ, ক্ষতিকর অনুজীবের উপস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণের ঘাটতি ধরা পড়েছে।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানায়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে ইতোমধ্যে প্রত্যাখ্যানপত্র দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্স নবায়ন বা নতুন করে অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত এসব পণ্যের উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, বিক্রি ও বিতরণ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বাজারে থাকা পণ্যগুলো দ্রুত প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রেশ গার্ডেন এগ্রো রিসোর্সেস উৎপাদিত আমের আচারে অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি প্রিজারভেটিভ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে কাজী ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বেলিসিমো ব্র্যান্ডের আইসক্রিমে টোটাল মিল্ক সলিড নন-ফ্যাটের পরিমাণ বাংলাদেশ মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ ছাড়া অলিভ বাংলাদেশ লিমিটেডের লাবণ্য ব্র্যান্ডের মিল্ক স্কিন লোশন ও অ্যালোভেরা স্কিন লোশন, অলিভ ও লাবণ্য ব্র্যান্ডের ফেসওয়াশের মোরিংগা মাচা, ফোমিং মিল্ক ও তুলসী ভ্যারিয়েন্ট এবং লাবণ্য ব্র্যান্ডের অ্যালোভেরা শ্যাম্পুতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর অনুজীবের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

অন্যদিকে ডেকো ফুডস লিমিটেডের ডেকো ফ্রুট ফান্ডা ব্র্যান্ডের ম্যাংগো ও অরেঞ্জ ভ্যারিয়েন্টের সফট ড্রিংক পাউডারে বাংলাদেশ মান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিমাণের তুলনায় ভিটামিন ‘সি’ কম পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই জানিয়েছে, জনস্বার্থ ও ভোক্তা সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে এসব পণ্য অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে নিয়মিত তদারকি চালানো হবে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে বিএসটিআই।

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, ভোক্তাদের নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য নিশ্চিত করতে সংস্থাটি নিয়মিত বাজার তদারকি ও মান পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদ যাচাই করার পরামর্শ দেন।

একই সঙ্গে কোনো পণ্যের মান নিয়ে সন্দেহ, ভেজাল, প্রতারণা বা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহারের অভিযোগ থাকলে দ্রুত সংস্থাটিকে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি।

- Advertisement -
newsnextbd20
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *