সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার সুপারিশ

বিশেষ প্রতিনিধি :

2 Min Read
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

কোভিড-১৯ মহামারির সময় নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয় এবং সরবরাহের নামে প্রায় ১২ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ঘটনায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ সংশ্লিষ্ট ১৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

দুদক সূত্র জানায়, সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. ফারুক হোসেন ও মো. শাহজাহান মিরাজ তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই শেষে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে ঢাকা-১ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাগুলো দায়ের করা হবে।

তদন্তে দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় সরঞ্জাম ক্রয়ের নামে মোট ১২ কোটি ৩ লাখ টাকার অনিয়ম ও আত্মসাত হয়েছে। এ ঘটনায় আলাদা ছয়টি মামলার সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে—

১। ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার টাকার অভিযোগে একটি মামলা
২। ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার অভিযোগে দ্বিতীয় মামলা
৩। ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার টাকার অভিযোগে তৃতীয় মামলা
৪। ৬২ লাখ ৭৩ হাজার টাকার অভিযোগে চতুর্থ মামলা
৫। ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার টাকার অভিযোগে পঞ্চম মামলা
৬। এবং ৩ কোটি ৩২ লাখ টাকার অভিযোগে ষষ্ঠ মামলা

দুদক জানিয়েছে, এসব মামলায় কয়েকজন অভিযুক্ত একাধিক মামলায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

অভিযুক্তদের তালিকায় সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ছাড়াও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের একাধিক সাবেক কর্মকর্তা রয়েছেন। তাদের মধ্যে সাবেক প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. ইকবাল কবির, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. তাহমিনা জোহরা, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, ডা. মো. শরিফুল হাসান, ডা. মো. আনোয়ার সাদাত ও ডা. অনির্বাণ সরকার উল্লেখযোগ্য।

এছাড়া বিভিন্ন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক ও প্রতিনিধিদেরও অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, নিম্নমানের পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতে তারা জড়িত ছিলেন।

দুদক বলছে, মামলাগুলো দায়েরের পর নিয়মিত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।

newsnextbd20
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *