আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ কর্মসূচির পথে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ২০২৩ সালে শুরু হওয়া ৫৭০ কোটি ডলারের আইএমএফ ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। এর মধ্যেই নতুন করে সহায়তা কর্মসূচির বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

2 Min Read

ইরান-সংঘাতের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে নতুন সহায়তা কর্মসূচির আবেদন করেছে বাংলাদেশ। আইএমএফের বাংলাদেশ মিশন প্রধান ইভো ক্রজনার সাম্প্রতিক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংস্কার পরিকল্পনা ও নীতি অগ্রাধিকার নিয়ে আইএমএফ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে টেকসই সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সংস্থাটি বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সহায়তার পরিমাণ এখনো নির্ধারিত হয়নি। তবে সরকারের পূর্বের হিসাব অনুযায়ী, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দাতা সংস্থা থেকে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সংকটে পড়েছে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশ। প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে, যা যুদ্ধের আগে ছিল অনেক কম। দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়।

চাপ সামাল দিতে ইতিমধ্যে সার কারখানার উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে এবং জ্বালানির দাম ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

শুধু জ্বালানি নয়, তৈরি পোশাক খাতসহ রপ্তানিমুখী শিল্পেও এর প্রভাব পড়ছে। পরিবহন ব্যয় ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্নের কারণে কাঁচামালের দাম বেড়েছে, ফলে আগামী মৌসুমে রপ্তানি অর্ডার কমে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এদিকে প্লাস্টিক ও অন্যান্য শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামালের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ও ব্যালান্স অব পেমেন্টের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে।

newsnextbd20
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *