অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সহায়ক একটি ন্যায়সংগত, স্বচ্ছ এবং প্রযুক্তিভিত্তিক কর ব্যবস্থার মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।
আজ (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করার সময় তিনি সরকারের মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যমেয়াদে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে তা আরও বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এসব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য একটি আধুনিক, ব্যবসাবান্ধব, পূর্বানুমানযোগ্য এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর রাজস্ব ব্যবস্থা প্রয়োজন।
আমির খসরু বলেন, ব্যাপক কম্পিউটারাইজেশন (নথি ডিজিটালাইজেশন) এবং কর ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ কর প্রশাসন গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কর প্রক্রিয়া সহজীকরণ, অপ্রয়োজনীয় নিয়মকানুন দূরীকরণ এবং করদাতাদের ওপর কমপ্লায়েন্সের (নিয়ম পালনের) বোঝা কমিয়ে ব্যবসা পরিচালনা আরও সহজ করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর মতে, কর প্রশাসনের সংস্কারগুলো কেবল রাজস্ব আদায় বাড়ানোর জন্যই নয়, বরং বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগের সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। যা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য।
