বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার। দিনটি উপলক্ষে দলীয়ভাবে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন আরাফাত রহমান কোকো। সে সময় গুলশানে নিজ কার্যালয়ে পুলিশি অবরোধে ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে কোকোর বয়স ছিল ৪৫ বছর।
মৃত্যুর চার দিন পর, ২৮ জানুয়ারি তাঁর মরদেহ দেশে আনা হয়। ওই দিন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
১৯৭০ সালের ১২ আগস্ট শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আরাফাত রহমান কোকো। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও তিনি সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। বরং একজন ব্যবসায়ী ও ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেই তিনি বেশি পরিচিত ছিলেন।
ক্রীড়া অঙ্গনে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি ২০০৩ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বর্তমান বিসিবি) উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন এবং একই সঙ্গে বোর্ডের সদস্যও ছিলেন। এ ছাড়া ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের নির্বাহী কমিটির কালচারাল সেক্রেটারির দায়িত্বও পালন করেন।
সেনাসমর্থিত মইন–ফখরুদ্দীন সরকারের সময় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে আরাফাত রহমান কোকোকেও গ্রেপ্তার করা হয় এবং রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে সপরিবারে থাইল্যান্ডে যান তিনি। পরে তিনি মালয়েশিয়ায় চলে যান এবং সেখানেই স্ত্রী ও দুই কন্যার সঙ্গে বসবাস করছিলেন।
আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছেন।
