যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইন সংক্রান্ত বিপুল পরিমাণ গোপন নথি প্রকাশের পর ভারতে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রকাশিত এসব নথিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম উঠে আসায় বিষয়টি নিয়ে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
মার্কিন বিচার বিভাগ নতুন ট্রান্সপারেন্সি আইনের আওতায় প্রায় ৩০ লাখ পৃষ্ঠা, হাজারো ভিডিও ও বিপুল সংখ্যক ছবি প্রকাশ করে। এসব নথির একটি অংশে মোদির নাম উল্লেখ থাকলেও ভারত সরকার দাবি করেছে, তথ্যগুলো ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, নথিতে যে ই-মেইলের কথা বলা হয়েছে তা একটি দণ্ডিত অপরাধীর কল্পনাপ্রসূত বক্তব্য ছাড়া কিছু নয়। তিনি বলেন, ২০১৭ সালে মোদির ইসরাইল সফর একটি ঐতিহাসিক ও প্রকাশ্য ঘটনা হলেও এর সঙ্গে অন্য কোনো দাবি সত্য নয়।
তবে সরকারের এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় দেশটির প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। দলটি বিষয়টিকে ভারতের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করে পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা দাবি করেছে। কংগ্রেস নেতারা বলছেন, এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক পরিসরে ভারতের মর্যাদা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
এপস্টেইন সংক্রান্ত এই নথিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইলন মাস্ক ও বিল গেটসসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নামও উঠে এসেছে। যদিও এপস্টেইন ২০১৯ সালে কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন, তবে তার নথিপত্র এখনও বিশ্ব রাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করে চলেছে।
