চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এর ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত বা প্রশাসনিক শাস্তি আরোপ করা হবে না বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। সোমবার এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
আইসিসি জানিয়েছে, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় চলমান বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিসিবিকে কোনো ক্ষতি হবে না। একই সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গেও তারা আলোচনা করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, উভয় বোর্ডের সঙ্গে তারা ‘খোলামেলা, গঠনমূলক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা’ করেছে, যেখানে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আইসিসি আরও জানিয়েছে, বিসিবি তাদের পূর্ণ সদস্য হিসাবে থাকবে এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটে দীর্ঘমেয়াদি কোনো প্রভাব পড়বে না। এছাড়া, বিসিবি চাইলে বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটিতে যাওয়ার অধিকারও বহাল থাকবে।
আইসিসি প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত বলেন, বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অনুপস্থিতি দুঃখজনক, কিন্তু এতে আমাদের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকার বদলাবে না। আমাদের লক্ষ্য শাস্তি দেওয়া নয়, বরং সহযোগিতামূলক সমাধান।
তিনি আরও জানান, ২০৩১ সালের মেনস ক্রিকেট বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে, যা বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ আয়োজনে হবে। গুপ্ত বলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট ইকোসিস্টেম আমাদের কাছে সর্বদা অগ্রাধিকার পায়। সাময়িক বাধা এটিকে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবে না।
