উৎসব মুখোর পরিবেশে সাতক্ষীরা জেলার ৪টি সংসদীয় আসনে ২০ জন প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতারের কার্যালয় উক্ত প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
জেলা রিটার্নিং কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সাতক্ষীরা-১ আসনে জামায়াতের মো. ইজ্জতউল্লাহকে দাঁড়িপাল্লা প্রতিক, বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ধানের শীষ প্রতীক , ইসলামি আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল ইসলামকে হাতপাখা প্রতীক, জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমানকে লাঙ্গল ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলামকে মোটর গাড়ি প্রতিক দেওয়া হয়।
এছাড়া সাতক্ষীরা-২ আসনে প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর মুহাদ্দিস আব্দুল খালেককে দাড়িপাল্লাহ প্রতীক , বিএনপির আব্দুর রউফকে ধানের শীষ , জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামানকে লাঙ্গল প্রতীক , বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলীকে মোটর গাড়ি ও ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলামকে হাতপাখা প্রতীক বরাদ্ধ দেওয়া হয়।
সাতক্ষীরা-৩ আসনে জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশারকে দাঁড়িপাল্লাহ প্রতীক , বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ডা. শহিদুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ফুটবল প্রতীক , বিএনপির প্রার্থী কাজী আলাউদ্দীনকে ধানের শীষ, , জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন লাঙ্গল, ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী হাতপাখা ও বিএমজেপির রুবেল হোসেনকে রকেট প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
সাতক্ষীরা-৪ আসনে জামায়াতের সাবেক এমপি জিএম নজরুল ইসলামকে দাড়িপাল্লাহ, বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে ধানের শীষ ও ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমানকে হাতপাখা ও জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদকে লাঙ্গল প্রতীক তুলে দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার।
উল্লেখ্য, গতকাল ২০ জানুয়ারী সাতক্ষীরার ৪টি আসনের মধ্যে জেলার এলডিপির একমাত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সাহেদ ও এবি পার্টির প্রার্থী জিএম সালাউদ্দীন জামায়াতের সমর্থনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। প্রতিক বরাদ্দ পেয়ে প্রার্থী জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশা ব্যক্ত করেন। এবং জয় পেলে জেলার উন্নয়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এই প্রতিক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে আগামী ২২ জানুয়ারী থেকে জেলার প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার প্রচারণা শুরু করবে।
