ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে শেয়ারদরের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। রোববার ৩৬০টি তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে ৩৪৮টির শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে ১৯৫টির দর কমেছে। বিপরীতে ১০০ কোম্পানির শেয়ার দর বেড়েছে এবং ৫৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সবশেষ তিন কার্যদিবসের মধ্যে সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ার দর পতনের মধ্য দিয়ে ৯ কার্যদিবসের মধ্যে সাত দিন শেয়ার দর কমেছে।
ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৪ পয়েন্ট কমে ৪,৮৭২ পয়েন্টে নেমেছে। এ হিসাবে শেষ তিন কার্যদিবসে সূচক ৭৮ পয়েন্ট, এবং ৯ কার্যদিবসে ১৫২ পয়েন্ট হারিয়েছে।
লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। রোববারের লেনদেন মাত্র ২৬৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা, যা গত ১৫ জুনের পর বা প্রায় ছয় মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। এ লেনদেনের তুলনায় ৭ সেপ্টেম্বরের দিনে ১,৪৪১ কোটি টাকার বেশি শেয়ার কেনাবেচা হয়েছিল।
ব্রোকারেজ হাউসগুলো বলছে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার কেনার আগ্রহ কমে যাওয়ায় বাজারে চাহিদা হ্রাস এবং দরপতনের সৃষ্টি হয়েছে।
শেয়ারদরের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বস্ত্র, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সিমেন্ট খাতে মিশ্রধারা থাকলেও অধিকাংশ খাতের শেয়ার দর কমেছে। তুলনামূলকভাবে বেশি দর হ্রাস দেখা গেছে বীমা, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, প্রকৌশল, তথ্য-প্রযুক্তি, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কাগজ ও ছাপাখানা খাতে।
তবে ৫ থেকে ১০ শতাংশ দরবৃদ্ধি পাওয়া ১৮ কোম্পানির মধ্যে ১৩টি ‘জেড’ বা ‘জাঙ্ক’ ক্যাটাগরিভুক্ত হলেও, এগুলোর লেনদেনের পরিমাণ খুব সামান্য ছিল।
