বিএনপিতে সদ্য যোগ দেয়া মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ বলেছেন, শেখ হাসিনার সরকার তার ভাই মীর মুগ্ধ শহীদের লাশ দাফনের জন্য কোনো জায়গা না দেওয়ার মাধ্যমে এক অমানবিক কাজ করেছে। স্নিগ্ধ দাবি করেন, মুগ্ধের মৃত্যুর পর তাদের কোনো কবরস্থানে তার লাশ দাফন করার অনুমতি দেয়া হয়নি এবং পুলিশের নজর এড়াতে তারা লাশ দাফন করতে বাধ্য হন একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে।
তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি বিশ্ববাসীকে দেখানোর, খুনি হাসিনা কীভাবে আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমরা কোনোদিনও খুনি হাসিনার সঙ্গে আপস করবো না।
স্নিগ্ধ রবিবার (৯ নভেম্বর) বিকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় শহীদ মীর মুগ্ধ স্কয়ার চত্বরে আয়োজিত ছাত্র জনতার সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় এসব কথা বলেন।
স্নিগ্ধ অভিযোগ করেন, হাসিনার মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা আমাদের বাসায় ব্ল্যাংক চেক নিয়ে এসেছিল। আমরা বাসায় থাকতে না পেরে আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হই। ৫ আগস্টের পর আমরা মুক্তি পেয়েছি।
তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, “\আমরা ঐ ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে খুনি হাসিনার সরকারের ব্যবস্থাকে চিরতরে কবর দেবো।
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মীর শাহে আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওহাব, বিএনপি নেতা এস এম তাজুল ইসলাম, আবদুল করিম, মীর শাকরুল আলম সীমান্ত, খালিদ হাসান আরমান প্রমুখ।
এর আগে, দুপুরে স্নিগ্ধ বগুড়ার মহাস্থানে অবস্থিত হজরত শাহ সুলতান বলখী মাহীসাওয়ারের (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন। মীর স্নিগ্ধ তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়ায় এই সফরের মাধ্যমে।
