বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে যারা অস্বীকার করেছে, তাদের বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ১৯৭১ সালে যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, আজ তারা ভোল পাল্টে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কথা বললেও জনগণ তা বিশ্বাস করবে না।
রোববার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এবারের নির্বাচন হবে দুটি শক্তির মধ্যে—একটি শক্তি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও উদার গণতন্ত্রের পক্ষে, আর অন্যটি সেই শক্তি যারা অতীতে ধর্মের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে তারা স্বাধীনতার পক্ষে থাকবে, নাকি স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে বেছে নেবে।”
তিনি আরও বলেন, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করা শক্তিগুলোই আজ আবার সক্রিয় হচ্ছে এবং ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তবে জনগণ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে বলেই বিএনপি আশাবাদী।
নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের জনগণ ধানের শীষের প্রতীক বেছে নেবে এবং এবারের শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস এই কারণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দলীয় নেতা তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন, যা বিএনপির জন্য অনুপ্রেরণার বড় উৎস। তিনি বলেন, দলের নেতাকর্মীরা ঐতিহাসিক সংবর্ধনার জন্য প্রস্তুত।
সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত। এতে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ মুক্তিযোদ্ধা ও দলীয় নেতারা বক্তব্য দেন।
