১৬৭ মি.মি. বৃষ্টির পরও জলাবদ্ধতা নেই, চট্টগ্রামে প্রশংসা কুড়ালো চসিক

বিশেষ প্রতিনিধি :

1 Min Read
সমন্বিত জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। ছবি: বাসস

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম (বীর প্রতীক)। তিনি বলেন, “টানা বৃষ্টির পরও নগরে জলাবদ্ধতা না হওয়া একটি বড় অর্জন। এর পেছনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা রয়েছে।”

শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) সমন্বিত জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, “পরিকল্পিতভাবে কাজ চালিয়ে গেলে ভবিষ্যতেও নগরবাসী জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে রেহাই পাবে। চলমান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দ্রুত বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে।”

পরিদর্শনকালে তিনি নগরীর জলাবদ্ধতা প্রবণ এলাকা রহমতগঞ্জ, জেএমসেন লেন, জিইসি মোড়, মুরাদপুর ও বহদ্দারহাট ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এ সময় উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. শরীফ উদ্দিন, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা এবং মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ।

প্রসঙ্গত, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ১৬৭ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। তবে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে নালা-নর্দমা পরিষ্কার ও খাল খননের কাজ সময়মতো শুরু করায় এবার নগরীর কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা দেখা যায়নি।

newsnextbd20
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

১৬৭ মি.মি. বৃষ্টির পরও জলাবদ্ধতা নেই, চট্টগ্রামে প্রশংসা কুড়ালো চসিক

বিশেষ প্রতিনিধি :

1 Min Read
সমন্বিত জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। ছবি: বাসস

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম (বীর প্রতীক)। তিনি বলেন, “টানা বৃষ্টির পরও নগরে জলাবদ্ধতা না হওয়া একটি বড় অর্জন। এর পেছনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টা রয়েছে।”

শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) সমন্বিত জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা বলেন, “পরিকল্পিতভাবে কাজ চালিয়ে গেলে ভবিষ্যতেও নগরবাসী জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে রেহাই পাবে। চলমান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দ্রুত বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে।”

পরিদর্শনকালে তিনি নগরীর জলাবদ্ধতা প্রবণ এলাকা রহমতগঞ্জ, জেএমসেন লেন, জিইসি মোড়, মুরাদপুর ও বহদ্দারহাট ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এ সময় উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. শরীফ উদ্দিন, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা এবং মেয়রের জলাবদ্ধতা বিষয়ক উপদেষ্টা শাহরিয়ার খালেদ।

প্রসঙ্গত, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে ১৬৭ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। তবে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে নালা-নর্দমা পরিষ্কার ও খাল খননের কাজ সময়মতো শুরু করায় এবার নগরীর কোথাও উল্লেখযোগ্য জলাবদ্ধতা দেখা যায়নি।

newsnextbd20
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *