ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্প বিলুপ্ত হলেও বিভিন্ন মামলার কারণে যন্ত্রগুলো নিয়ে করণীয় ঠিক করতে পারছে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য মাঠের কর্মকর্তাদের কাছে ইভিএম সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। বুধবার যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান চিঠির মাধ্যমে সব আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন, যাতে তারা তিন ধরনের তথ্য সরবরাহ করবেন।
ইসির চাওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে– নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার সংক্রান্ত কোনো মামলা থাকলে তার বিবরণ, নির্বাচনের নাম, এলাকা, তারিখ, ইভিএমের সংখ্যা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য। এছাড়া ইভিএম সংরক্ষণের জন্য ভাড়া নেওয়া গোডাউন বা স্পেস সংক্রান্ত মামলা ও বকেয়া ভাড়া সম্পর্কিত তথ্যও প্রেরণ করতে হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকার ইভিএম প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়নি এবং কমিশন এ যন্ত্র আর কোনো নির্বাচনে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের কারণে মামলা থাকায় যন্ত্রগুলোর ভবিষ্যৎ এখনও স্থির হয়নি।
এর আগে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ড. এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বে দেশে প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট নেওয়া হয়েছিল। প্রথম যন্ত্রটি রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নষ্ট হওয়ায় পরবর্তীতে ব্যালট ভোট নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে উন্নত যন্ত্র বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির কাছ থেকে তৈরি করানো হলেও রাজনৈতিক মতানৈক্য ও মেরামতে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়নি।
২৯ মাঠ কর্মকর্তার চাকরি স্থায়ী
দুই বছর আগে নিয়োগ পাওয়া ২৯ মাঠ কর্মকর্তার চাকরি স্থায়ী করেছে ইসি। বুধবার ইসির জনবল ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব ইকবাল হোসেন প্রজ্ঞাপন জারি করে জানান, ২০২৩ সালের নভেম্বরে ও ডিসেম্বরে যোগদানের সঙ্গে সঙ্গে তাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়েছে।
