পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান কারাগারে মারা গেছেন—এমন গুঞ্জন কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবার সদস্যরা দীর্ঘদিন তার সঙ্গে দেখা করতে না পারায় এই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। ইমরান খানের অবস্থান ও বর্তমান অবস্থা জানার দাবিতে পিটিআই রাওয়ালপিন্ডিতে বিক্ষোভের আহ্বান জানালে প্রশাসন ১ থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করে।
ডেপুটি কমিশনার হাসান ওয়াকার চীমা জানান, এই সময়ে পাঁচজনের বেশি মানুষের সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা বা বিক্ষোভ করা যাবে না। অস্ত্র, লাঠি, গুলতি, পেট্রোল বোমা বা সহিংসতায় ব্যবহারযোগ্য কোনো সরঞ্জাম বহন নিষিদ্ধ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছাড়া কেউ অস্ত্র প্রদর্শন করতে পারবে না এবং কোনো বিদ্বেষমূলক বক্তব্যও দেওয়া যাবে না। পুলিশের আরোপ করা নিয়ন্ত্রণ অপসারণের চেষ্টা করলেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রশাসনের দাবি, জননিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত।
গত সপ্তাহে ইমরান খানের তিন বোন আদিয়ালা কারাগারের সামনে ১২ ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করেও তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পাননি। পুলিশ পরে তাদের সরিয়ে দেয়, যা ইমরানের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের বিষয়ে নতুন করে গুঞ্জন সৃষ্টি করেছে। যদিও ২৬ নভেম্বর কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, ইমরান খান এখনও আদিয়ালা কারাগারেই আছেন এবং তিনি সুস্থ।
৭২ বছর বয়সি ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাবন্দি আছেন। তার আগে ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে পরাজিত হয়ে তিনি ক্ষমতাচ্যুত হন।
