ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ–শাহরাস্তি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মমিনুল হকের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি নির্বাচনী হলফনামায় প্রকৃত সম্পদের বিবরণ না দিয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-এর শর্ত লঙ্ঘন করেছেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অপ্রদর্শিত সম্পদের তথ্যসংবলিত পৃথক একটি আবেদন দুর্নীতি দমন কমিশনেও (দুদক) দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগকারীরা আরপিও লঙ্ঘন ও সম্পদ গোপনের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মো. মমিনুল হকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি প্রাথমিকভাবে গ্রহণ করেছে কমিশন। চলমান আপিল শুনানির মধ্যেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইসির এক কর্মকর্তা জানান, আপিলের শেষ দিনেই এই অভিযোগের শুনানি হতে পারে।
ইসি সূত্র আরও জানায়, প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দেওয়া সিদ্ধান্তের বিপরীতে আপিল শুনানি আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে। ইতোমধ্যে গত কয়েক দিনের শুনানিতে প্রায় ১৫০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
অন্যদিকে দুদক সূত্র জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই মমিনুল হকের বিরুদ্ধে সম্পদ গোপনের অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে দাখিল করা হয়েছে। আবেদনে তার দাখিল করা হলফনামা ও আয়কর রিটার্ন পর্যালোচনা করে অসামঞ্জস্যতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, ঘোষিত সম্পদের বাইরে তার নামে ও বেনামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি, পাশাপাশি একাধিক ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের অর্থের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। অভিযোগকারীদের দাবি, দুদক তদন্ত শুরু করলে প্রকৃত চিত্র উদ্ঘাটিত হবে।
আবেদনের সঙ্গে প্রার্থীর হলফনামার কপি এবং কিছু সম্পদের তথ্যপ্রমাণ সংযুক্ত করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের দিকে এখন নজর রয়েছে।
