এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)-এর মার্চ-এপ্রিল মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমেছে। এতে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ মে শেষে দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৫ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী তখন রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার।
আকুর বিল পরিশোধের পর বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ আরও কমে দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলারে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, মার্চ-এপ্রিল মেয়াদে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের আমদানি লেনদেন নিষ্পত্তির অংশ হিসেবে ১৫১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার আকুকে পরিশোধ করা হয়েছে। এর ফলে সাময়িকভাবে রিজার্ভে পতন দেখা দেয়।
এর আগে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি সময়ের আকুর বিল ছিল ১৩৬ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। গত নভেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে এ খাতে পরিশোধ করা হয় ১৫৩ কোটি ডলার, আর তার আগের দুই মাসে পরিশোধের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৫০ কোটি ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আকুর বিল পরিশোধের সময় নিয়মিতভাবেই রিজার্ভে চাপ তৈরি হয়। তবে রপ্তানি আয়, প্রবাসী আয়ের প্রবাহ এবং বৈদেশিক ঋণ সহায়তা বাড়লে রিজার্ভে আবার স্বস্তি ফিরতে পারে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানিনির্ভর খাতে এখনো চাপ রয়েছে, বিশেষ করে জ্বালানি, ভোগ্যপণ্য ও শিল্প কাঁচামালের ক্ষেত্রে। তাই দীর্ঘমেয়াদে রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানো এবং আমদানি ব্যবস্থাপনায় আরও নজরদারি প্রয়োজন।
