দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূতের ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স কারখানা পরিদর্শন

নিউজনেক্সট অনলাইন :

2 Min Read
ছবি - সংগৃহীত।

বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত জিজুন কিম আজ নরসিংদীর শিবপুরে অবস্থিত ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স-এর স্যামসাং উৎপাদন কারখানা পরিদর্শন করেছেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্যামসাং বাংলাদেশ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাংমিন জাং। পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের শিল্পায়নে দক্ষিণ কোরিয়ার অব্যাহত সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ফেয়ার ইলেকট্রনিক্সকে বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়া প্রযুক্তি স্থানান্তর, স্থানীয় উৎপাদন ও শিল্প উন্নয়নের একটি সফল দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত জিজুন কিম বলেন, বাংলাদেশের উৎপাদন খাতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। পরিশ্রমী জনশক্তি, সহায়ক সরকারি নীতিমালা ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তির সমন্বয়ে বাংলাদেশ একটি আঞ্চলিক উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।

তিনি স্থানীয় মোবাইল উৎপাদন শিল্পকে সুরক্ষা দিতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)-এর কার্যকর বাস্তবায়নসহ শুল্ক ও রাজস্ব ফাঁকি প্রতিরোধ এবং সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূতকে ফেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব, পরিচালক মুতাসসিম দাইয়ান এবং ফেয়ার গ্রুপ ও স্যামসাং বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানে ফেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের মাধ্যমে দেশের উৎপাদন শিল্পকে আরও শক্তিশালী করতে ফেয়ার গ্রুপ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি গ্রে মার্কেট ও অননুমোদিত মোবাইল ফোন আমদানির বিরুদ্ধে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সহায়ক সরকারি নীতিমালা স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, সরকারি রাজস্ব আয়, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

স্যামসাং বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাংমিন জাং বাংলাদেশে স্যামসাংয়ের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ও স্থানীয় উৎপাদন সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ফেয়ার ইলেকট্রনিক্সের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে স্যামসাং বৈশ্বিক মান বজায় রেখে স্থানীয় উৎপাদন সম্প্রসারণ করছে।

- Advertisement -

মিডিয়া ব্রিফিংয়ে ফেয়ার গ্রুপের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মেসবাহ উদ্দিন জানান, ফেয়ার গ্রুপ ২০১৪ সালে স্যামসাংয়ের আনুষ্ঠানিক ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার হিসেবে যাত্রা শুরু করে। ২০১৭ সালে স্থানীয় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশের প্রথম স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত স্যামসাং স্মার্টফোন বাজারজাতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের শিল্পায়নে নতুন মাইলফলক স্থাপন করে।

তিনি বলেন, ফেয়ার ইলেকট্রনিক্সের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে স্মার্টফোন উৎপাদনকারী প্রথম বৈশ্বিক ব্র্যান্ড হিসেবে স্যামসাং ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

newsnextbd20
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *