মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে কোনো দ্বিধা ছাড়াই ব্যাটিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শুরুটা দারুণই করেন দুই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মাহমুদুল হাসান জয়। ৫২ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে সাদমান ৬টি চার মেরে ৩৫ রানে ফিরলে ভাঙে এ জুটি। পরে জয়ও থামেন ৩৪ রানে।
দলের সংগ্রহ তখন ৯৫ এ সময় তৃতীয় ধাক্কা আসে। অধিনায়ক শান্ত ব্যক্তিগত ৮ রানের বেশি করতে পারেননি। তবে তিনে নেমে মুমিনুল হক এবং পাঁচ নম্বরে আসা মুশফিকুর রহিম দলের হাল ধরেন। তাদের ১০৭ রানের জুটি দলকে বড় সংগ্রহের ভিত্তি এনে দেয়। ১২৮ বল খেলে ৬৩ রানে আউট হন মুমিনুল, যার ইনিংসে একটি চার ছিল।
দিনের বাকিটা সময় মুশফিককে সঙ্গ দেন লিটন দাস। মুমিনুলের সঙ্গে জুটি বেঁধেই ফিফটি ছুঁয়েছিলেন মুশফিক। পরে লিটনের সঙ্গে আরও ৯০ রান যোগ করে অপরাজিত থেকেই দিন শেষ করেন তিনি। ১৮৭ বল খেলে ৫টি চারসহ ৯৯ রানে অপরাজিত মুশফিক সেঞ্চুরির এক ধাপ দূরে। লিটনও ৮৬ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন, তার ব্যাট থেকে আসে দুটি চার।
আয়ারল্যান্ডের হয়ে প্রথম দিনের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনি। ২৬ ওভার বল করে ৮২ রান দিয়ে তিনি তুলে নেন বাংলাদেশের সব চারটি উইকেট। ম্যাথু হামফ্রিজ ২৬ ওভারে ৮৩ রান দিলেও উইকেট পাননি। লেগ স্পিনার গাভিন হোয়ে ১৯ ওভার বল করে ৪৮ রান দিয়েও ছিলেন উইকেটহীন।
এখন দ্বিতীয় দিনের শুরুতে মাত্র ১ রান করলেই শততম টেস্টে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়ার সুযোগ পাবেন মুশফিকুর রহিম। এর আগে রিকি পন্টিং, ডেভিড ওয়ার্নার, জো রুট, হাশিম আমলা, ইনজামাম-উল-হক ও জাভেদ মিয়াঁদাদরা এমন নজির গড়েছিলেন। পন্টিং তো শততম টেস্টে দু’ ইনিংসেই করেছিলেন সেঞ্চুরি, ওয়ার্নার করেছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি।
