মালদ্বীপ সরকার সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি চিকিৎসক, থেরাপিস্ট, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি দেশটি বাংলাদেশ থেকে সরাসরি মানসম্মত ওষুধ আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মালদ্বীপের স্বাস্থ্যমন্ত্রী গিলা আলীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে মালদ্বীপের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী গিলা আলী বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে থেরাপিস্টসহ বিশেষায়িত স্বাস্থ্যকর্মীর চাহিদা রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে প্রায় ৫০ জন থেরাপিস্ট নিয়োগের প্রয়োজন। তিনি বাংলাদেশি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার প্রশংসা করে জানান, মালদ্বীপ সরকার আরও বেশি কর্মী নিয়োগে আগ্রহী।
ড. নাজমুল ইসলাম আশ্বস্ত করেন, বাংলাদেশ থেকে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর নিয়োগ প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
এছাড়া বৈঠকে মালদ্বীপের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের অগ্রগতি প্রশংসা করেন এবং সরকারি পর্যায়ে (G2G) মানসম্মত ওষুধ আমদানির আগ্রহ প্রকাশ করেন। শিগগিরই মালদ্বীপের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প সরেজমিনে যাচাই করবেন।
দুই দেশের মধ্যে স্বাস্থ্য সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (MoU) নবায়ন ও শক্তিশালী করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি মালদ্বীপের শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশে মেডিকেল ইন্টার্নশিপ এবং পূর্ণ অর্থায়িত শিক্ষাবৃত্তির সুযোগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে উভয় পক্ষই বাংলাদেশ-মালদ্বীপের স্বাস্থ্য খাতে কৌশলগত সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
