জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে আশুলিয়ায় নির্মাণ করা হচ্ছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’। ইতোমধ্যে জেলা পরিষদের উদ্যোগে শহীদের শহীদি স্থান চিহ্নিত করে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
বুধবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে শহীদদের আত্মত্যাগের স্থানগুলো চিহ্নিত করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব জায়গায় ধাপে ধাপে নির্মিত হবে স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা বলছেন, শহীদদের স্মরণে স্থাপিত এই স্মৃতিস্তম্ভ হবে তাঁদের আত্মত্যাগের অমলিন স্মারক। একজন শহীদের ভাই বলেন, শহীদের রক্ত যেন বিস্মৃত না হয়, এই স্মৃতিস্তম্ভ সেই দায় পালন করবে। আমরা কৃতজ্ঞ, শহীদের সম্মানে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের তালিকা যাচাই-বাছাই কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী তামিম খান জানান, আমাদের কাছে ৫২ জন শহীদের তালিকা রয়েছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৩৯টি স্থান চিহ্নিত করে লাল বৃত্ত দেওয়া হয়েছে। বাকি স্থানগুলোরও কাজ চলছে।
আগামী ৫ আগস্ট ‘ফ্যাসিবাদ পতনের দিবস’-এ প্রতিটি স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে।
উদ্যোগটি পরিদর্শনে ছিলেন ঢাকা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন খন্দকার। যদিও তিনি সংবাদমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া আক্তার, আশুলিয়া থানার ওসি (অপারেশন) সফিকুল ইসলাম সুমনসহ স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা।
গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তির প্রাক্কালে শহীদদের স্মরণে এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকাবাসী, আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।
তাঁদের প্রত্যাশা—এই স্মৃতিস্তম্ভগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইতিহাসের সত্য জানাতে ভূমিকা রাখবে।
