বিমান শুধু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে নয়, এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি : বিমান মন্ত্রী

নিউজনেক্সট অনলাইন :

2 Min Read
ছবি: পিআইডি

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বিমান পরিবহন এখন শুধু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের মাধ্যম নয়, এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, পর্যটন বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।

তিনি বলেন, একটি আধুনিক, দক্ষ ও টেকসই বিমান পরিবহন ব্যবস্থা জাতীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সিভিল এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যানিং ওভারভিউ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।

দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি জাতীয় মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ হিসেবে এই কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

বেবিচক এবং ইন্টারন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিমান চলাচল খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বিমান মন্ত্রী বলেন, দেশের বিমান চলাচল খাত আগামী দিনে কোথায় অবস্থান করবে, তার সুস্পষ্ট রূপরেখা এই মহাপরিকল্পনায় প্রতিফলিত হতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, সরকার ইতোমধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন খাতের উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।

তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর লক্ষ্যে কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরকে আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

- Advertisement -

পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে পরিচালনার প্রস্তুতিও প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

কর্মশালায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বেবিচকের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, বিমান পরিবহন খাতের বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক অংশীদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রণীতব্য এভিয়েশন মাস্টার প্ল্যান দেশের বিমানবন্দর উন্নয়ন, আকাশপথ ব্যবস্থাপনা, যাত্রীসেবা বৃদ্ধি, কার্গো পরিবহন সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সংযোগ জোরদারে একটি দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত নির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে।

- Advertisement -

এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতকে আরও আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তোলার পথ সুগম হবে।

newsnextbd20
Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *