চট্টগ্রামে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর সঙ্গে নির্বাচনী গণসংযোগে অংশ নেওয়া সরোয়ার হোসেন বাবলা (৪৩) গুলিতে নিহত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ উত্তর জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম জানান, গুলিতে আহত সরোয়ার হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান। এ ঘটনায় এরশাদ উল্লাহ ও আরও ৩জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, সরোয়ারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও হত্যাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে। সারোয়ার হোসেন বাবলা পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, ইদানিং তিনি নিজেকে বিএনপি কর্মী দাবি করতেন। তবে বিএনপি দাবি করেছে, সরোয়ার তাদের কেউ নন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় ‘সন্ত্রাসী’ সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদের সঙ্গে আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বের জেরে সরোয়ারকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।
চলতি বছরের ৩০ মার্চও বাকলিয়া এলাকায় একটি প্রাইভেটকারে গুলি চালিয়ে সরোয়ারকে হত্যা চেষ্টা করা হয়েছিল।
বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সাজ্জাদ হোসেনের নির্দেশে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইরফানুল হক শান্ত ৩ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক। গুলিবিদ্ধ আমিনুল হক ও মর্তুজা হকও বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত বলে জানা গেছে।
গণসংযোগকালে চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ গুলিবিদ্ধ
