প্রায় দুই দশক কাছাকছি লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে অবশেষে দেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন, আর সেই প্রত্যাবর্তনের পরই জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ। উত্তান-পতনের প্রতিকূলতায় তিনি হয়ে ওঠেন জনপ্রিয় এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। যিনি বর্তমানে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের নেতা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে ঢাকা ১৭ ও বগুড়া ৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনীতিতে সূচিত হয় নতুন এক অধ্যায়। দুই আসনে জয়লাভ করার পর বগুড়া-৬ আসন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও শৈশব :
১৯৬৫ সালের ২০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন তারেক রহমান। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার আবহে ঢাকায় তাঁর শৈশব-কৈশোর কেটেছে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মা ও ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর সঙ্গে তিনি আটক হন স্বাধীনতার ইতিহাসে অন্যতম কনিষ্ঠ রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে পরিচিত হন। তাঁর পিতা সেনাবাহিনীর নিরাপদ জীবনযাপন ত্যাগ করে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং মুক্তিযুদ্ধে শীর্ষ সামরিক অফিসার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
শিক্ষা ও রাজনৈতিক হাতেখড়ি :
ঢাকা রেসিডেনশিয়াল মডেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক এবং আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন তারেক রহমান। পরবর্তীতে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হলেও পরে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে স্থানান্তরিত হন। তবে দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা শেষ না করেই তিনি ব্যবসায় যুক্ত হন। রাজনৈতিক দর্শনের বিভিন্ন চিন্তাবিদ সক্রেটিস থেকে কার্ল মার্কস তাঁর রাজনৈতিক চিন্তাধারায় প্রভাব ফেলেছে বলে ঘনিষ্ঠরা জানান।
১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে তাঁর আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়।
এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে যাত্রা :
আশির দশকে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন তারেক রহমানের রাজনৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি মায়ের সঙ্গে দেশব্যাপী প্রচারণায় অংশ নেন। ওই নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়ে খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন।
২০০১ সালে রাজধানীতে একটি গবেষণা কার্যালয় স্থাপন করে সুশাসন ও স্থানীয় সরকারব্যবস্থা নিয়ে কাজ করেন তিনি। জেলা পর্যায়ে গোপন ব্যালটে দলীয় নেতৃত্ব নির্বাচন চালুর উদ্যোগ তৃণমূল গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখে বলে দলীয় সূত্রের দাবি।
২০০২ সালে তারেক রহমানকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়। দেশব্যাপী তৃণমূল সম্মেলন ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে তিনি সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করেন। ১৮ হাজারের বেশি চিঠির জবাব দেওয়ার তথ্যও তাঁর সহকারীরা উল্লেখ করেন। কৃষক ভর্তুকি, বয়স্কভাতা, পরিবেশ সুরক্ষা ও নারী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির মতো সামাজিক উদ্যোগে তিনি জোর দেন।
২০০৯ সালে বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তিনি সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।২০২৫ সালে জানুয়ারিতে মা খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান হন।
ব্যক্তিগত জীবন :
ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৯৪ সালে তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ডা. জুবাইদা সাবেক নৌবাহিনী প্রধান ও মন্ত্রী রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কন্যা। এই দম্পতির একমাত্র সন্তান জাইমা রহমান বর্তমানে একজন ব্যারিস্টার এবং পেশাদার আইনজীবী।
২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর অকাল মৃত্যু এবং দীর্ঘ সময় ধরে দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকারের অভাব, তারেক রহমানকে আরও বেশি মানবিক ও সংবেদনশীল নেতা হিসেবে গড়ে তুলেছে।
গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও দীর্ঘ নির্বাসন :
২০০৭ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তাঁকে আটক করা হয়। প্রায় ১৮ মাস কারাবাস ও রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে।
২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তি পেয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান এবং পরে সেখানেই অবস্থান নেন।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে তৎকালীন সরকার তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থপাচারসহ মোট ৮৪টি মামলার করে এবং ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর আদালত তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো খারিজ করে দেয়।
বক্তব্যে নিষেধাজ্ঞা, তবু গণতন্ত্র আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা :
বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য প্রচার ও প্রকাশের ওপর দীর্ঘ সময় নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। ২০১৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকী লিনা হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন, আবেদনে পলাতক আসামি হিসেবে তারেক রহমানের বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধ করার নির্দেশনা চাওয়া হয়। আবেদনের দুই দিন পর হাইকোর্ট তারেক রহমানের বক্তব্য, বিবৃতি বা সাক্ষাৎকার সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বা প্রকাশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
পরবর্তীতে ২০২৩ সালে হাইকোর্ট বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-কে তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সব ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে অপসারণের নির্দেশ দেন।
তবে গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে। সরকার পতনের পর তারেক রহমান ভিডিও বার্তার মাধ্যমে দেশবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য দেন। একই বছরের আগস্টে হাইকোর্ট তাঁর বক্তব্য প্রচার ও প্রকাশের ওপর আরোপিত দীর্ঘ ৯ বছরের নিষেধাজ্ঞা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেন।
একাধিক বাধা-বিপত্তি সত্ত্বেও নির্বাসনে থেকেই তিনি ভার্চুয়াল বৈঠক ও সাংগঠনিক তৎপরতার মাধ্যমে দলকে সক্রিয় রাখেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্র সংস্কার, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের প্রশ্নে ধারাবাহিক অবস্থান নেন তিনি।
দলীয় নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিএনপির সক্রিয় অংশগ্রহণ তাঁর দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হয়। ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন আসে।
৩১ দফা: রাষ্ট্র সংস্কারে বিএনপির রূপরেখা:
রাষ্ট্র সংস্কার ও শাসনব্যবস্থার পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে ঘোষিত ‘৩১ দফা’ কর্মসূচিকে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি হিসেবে উপস্থাপন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি একটি সমন্বিত সংস্কার পরিকল্পনা, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ঘোষিত ‘ভিশন ২০৩০’-এর ধারাবাহিকতায় প্রণীত।
বিএনপির ৩১ দফা প্রস্তাবের অন্যতম প্রধান দিক হলো শাসনব্যবস্থায় কাঠামোগত পরিবর্তন। এতে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যাতে আইন প্রণয়নে অধিকতর ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মেয়াদসীমা নির্ধারণ এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে সাংবিধানিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার কথাও বলা হয়েছে।
নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারও এ রূপরেখার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির অঙ্গীকার এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দীর্ঘদিনের নির্বাচনকেন্দ্রিক বিতর্কের প্রেক্ষাপটে এ প্রস্তাবকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা জোরদার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে এতে। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকারকে অধিক ক্ষমতা ও আর্থিক স্বায়ত্তশাসন দেওয়ার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। বিএনপির মতে, এতে কেন্দ্রনির্ভর প্রশাসনের পরিবর্তে তৃণমূল পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে।
অর্থনীতি ও সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রেও বিস্তৃত পরিকল্পনা রয়েছে এই কর্মসূচিতে। বেকার ভাতা চালু, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে ব্রিটিশ মডেল অনুসরণ এবং শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ:
২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে তারেক রহমান গণসংবর্ধনা পান। কয়েক দিনের মধ্যেই খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব তাঁর ওপর অর্পিত হয়। ২০২৬ জাতীয় নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ও তাদের মিত্র জোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। মোট ২৯৯টি আসনের মধ্যে বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসন পেয়ে বিজয়ী হয় যার মধ্যে শরিক প্রার্থীরা মাত্র ৩টি আসনে জয় লাভ করে।
প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক সংগ্রাম, নির্বাসন, সংগ্রামী নেতৃত্ব ও জনসম্পৃক্ততার মধ্য দিয়ে আজ মঙ্গলবার ( ১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তারেক রহমান। শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় ১২০০ দেশি-বিদেশি অতিথির উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
বঙ্গভবনে আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তিনি। একই সঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করেন।
প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বলেন, মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
শপথ গ্রহণের আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তনের এক নজির স্থাপন করেন নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সরকার গঠনের প্রস্তুতির মধ্যেই তারেক রহমানের ধারাবাহিক দুটি সৌজন্য সাক্ষাৎ রাজনৈতিক অঙ্গনে ভিন্ন এক বার্তা দিয়েছে।এক সন্ধ্যাতেই তারেক রহমান গেছেন বিরোধী জোট ১১দল নেতা শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারেক রহমানের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এবং জাতীয় ঐক্যের আহ্বান সম্ভাব্য রাজনৈতিক ধূসর রেখাকে স্পষ্ট করে, যেখানে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করা হতে পারে।
এবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো, যেখানে বহুমাত্রিক সংলাপ, গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন এবং রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তির দিকনির্দেশনায় দেশ এগিয়ে যাবে।
