বাংলাদেশে প্রায় দুই দশকের নির্বাসনের পর দেশে প্রত্যাবর্তন এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তারেক রহমানকে আন্তর্জাতিকভাবে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সমর্থন প্রকাশ করেছেন। জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার জন্য প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়নে সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে নির্বাচনে জয় এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন। চিঠিতে মোদি দুই দেশের জনগণের কল্যাণে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এবং জাইমা রহমান ও তারেক রহমানের পরিবারের সদস্যদের ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান।
এর পাশাপাশি ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জনমুখী সহযোগিতা আরও জোরদার করার আশ্বাস দেন।
এদিকে, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু শপথ গ্রহণের দিন বিকেলে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই কূটনৈতিক সাক্ষাৎ এবং বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশের শুভেচ্ছা বার্তা বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং সমর্থনের প্রতিফলন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
