লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ স্থানীয় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফ ও ব্যবসায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে তৈরি করা ভোটের সিল জব্দের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে সোহেলের দোকান থেকে ৬টি ভোটের সিল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল জব্দ করা হয়। এরপর তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, আটক সোহেলের হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন ও ভয়েস ম্যাসেজের প্রমাণের ভিত্তিতে জামায়াত নেতা শরীফকেও মামলার আসামি করা হয়েছে। সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে এবং ‘মারইয়াম প্রিন্টার্স’-এর স্বত্বাধিকারী। অপর আসামি শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াত সেক্রেটারি ও দক্ষিণ বাঞ্চানগরের মো. শাজাহানের ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার রাতে সদর থানার এসআই হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ এ ঘটনায় গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে।
এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে জেলা শহরের বশিরভিলা হলরুমে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি অভিযোগ করেন, জাল ভোট ও ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যে জামায়াত পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
পরে জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, আটক সোহেল দলের সদস্য নয়। তবে মামলার অপর আসামি সৌরভ হোসেন শরীফকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া জামায়াতের লক্ষ্মীপুর-২ আসনের প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, শরীফকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে দ্রুত প্রেস রিলিজ প্রকাশ করা হবে।
